দুর্গাপুর, ১৭ জুলাই: দুর্গাপুরের রাজীব গান্ধী মেলা ময়দানে রথের মেলায় ""ভারত মাতা বুক স্টলের ""উদ্বোধনের পর চলতি বছরের শীতকালে দুর্গাপুরে বইমেলার আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ ঘোড়ুই।ভারতীয় জনতা পার্টির যুবনেতা পারিজাত গঙ্গোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের বিভিন্ন পুস্তক সম্বলিত স্টল বিগত ৬ বছর ধরে এই ময়দানে রথের মেলায় অগণিত পুস্তক প্রেমীর পুস্তক পিপাসা মিটিয়েছে। 

বিজ্ঞাপন

বাঙালির"" বারো মাসে, তেরো পার্বন""প্রবাদ মুছে এখন বলা ভালো যে বাঙলায় ""বারো মাসে, অন্তহীন পার্বন""।উৎসব প্রিয় বাংলার বিভিন্ন জেলায়"" বইমেলা""অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উৎসবে পরিণত হয়েছে। দুর্ভাগ্য দুর্গাপুরবাসীর। হাজারো উৎসব অনুষ্ঠান দুর্গাপুরে আয়োজিত হলেও দুর্গাপুরের সেভাবে বইমেলা ধারাবাহিকভাবে আয়োজিত হয়নি। দুর্গাপুর নগর নিগমের মেয়র দিলীপ অগস্তি থাকাকালীন বইমেলার আয়োজন হয়েছিল বটে। কিন্তু সেই আয়োজন থমকে যায়। দুর্গাপুরে বইমেলা বলতে রাজীব গান্ধী মেলা ময়দানে রথের মেলায় এবং ডিপিএলে কল্পতরু উৎসবে স্বল্প পরিসরে বইমেলা আয়োজিত হয়। কিন্তু কলকাতা বা অন্যান্য জেলায় যেমন স্বতন্ত্র বইমেলার আয়োজন হয়ে থাকে সেভাবে দুর্গাপুরে কখনো ধারাবাহিক আকারে বইমেলা আয়োজিত হয়নি। দুর্গাপুরের মানুষের একটা বড় দাবি দুর্গাপুরে বইমেলার আয়োজনের। আর সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই আজ রাজীব গান্ধী স্মারক ময়দানে দাঁড়িয়ে ভারত মাতা বুক স্টল এর উদ্বোধনের পরে সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে প্রতিশ্রুতি দিলেন, ""শীতকালে দুর্গাপুরে বর্ণাঢ্য আকারে বইমেলার আয়োজন করব আমরা। দুর্গাপুরের মানুষকে সাথে নিয়ে এই বইমেলায় যেতে হবে। ""দুর্গাপুরের সাংস্কৃতিক চেতনা সম্পন্ন মানুষের বসবাস। শিল্পী, লেখক, বুদ্ধিজীবীদের দুর্গাপুরের সাথে মিশে আছে বহু সৃষ্টির ইতিহাস। তবুও দুর্গাপুরে ধারাবাহিকভাবে বইমেলার আয়োজনের উদ্যোগের বড় অভাব দেখা দিয়েছে বারবার। দুর্গাপুরে বড় বড় বাজেটের বহুৎ সব আয়োজিত হলেও গ্রন্থকীটদের পিপাসা মেটাতে বইমেলার নিরবিচ্ছিন্ন আয়োজন ব্রাত্য থেকে ছিল এতদিন। এখন দেখার পরিবর্তনের সরকার আসার পর দুর্গাপুরে বইপ্রেমীদের জন্য নিরবিচ্ছিন্ন আকারে বইমেলা সার্থকতা পায় কিনা?