দুর্গাপুর, ৬ জুলাই: ভেঙে পড়ছে চাঙ্গর, পিলারের গায়ে বড় বড় ফাটলের দাগ,একদিকে হেলে রয়েছে বিশালাকার জলাধার। তৃণমূল জামানায় বারবার সংস্কারের জন্য বলা হলেও নেতারা গা করেনি, যেকোনো সময় জনবহুল এলাকায় এই বিশালাকার জলাধার ভেঙে পড়ার আশংকায় রাতের ঘুম ঘুমোতে যাচ্ছেন দুর্গাপুরের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের* *শ্রীনগরপল্লী এলাকার মানুষজন।*
বিজ্ঞাপন
ভেঙে পড়ছে চাঙ্গর, পিলারের গায়ে বড় বড় ফাটলের দাগ স্পষ্ট, তৃণমূল জামানায় নীল সাদা রং করে দিয়ে কঙ্কালসার চেহারাটা লুকিয়ে রাখার চেষ্টা হয়েছিল মাত্র, যেকোনো সময় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়তে পারে দুর্গাপুর নগর নিগমের বানানো এই বিশালাকার জলাধার। অভিযোগ, তৃণমূল জামানায় বারবার অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি,দুর্গাপুরের কুড়ি নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীনগরপল্লীর বাসিন্দাদের একাংশ এখন এক বড় সড় বিপদের আশংকায় দিন কাটাচ্ছেন। অভিযোগ বাম জামানায় যখন এই জলাধার তৈরী হয়েছিল তখনই এলাকার বাসিন্দারা প্রতিবাদ করেছিলেন জনবহুল জায়গায় না করে ফাঁকা কোনো মাঠে এই জলাধার তৈরী করা হোক,কথা শোনেনি বাম নেতারা,২০১১ তে রাজ্যে পালাবদল হলো ক্ষমতায় এল তৃণমূল,এবারও এলাকার বাসিন্দারা লিখিতভাবে তৃণমূল নেতাদের এই জলাধার সংস্কারের জন্য দাবী জানিয়েছিল, কিন্তু কাজ হয়নি, বরং উল্টে দিনের পর দিন এই জলাধারে ফাটল ধরতে শুরু করে, ভেঙে পড়ছে জলাধারের ওপরের চাঙ্গর, যা পড়ছে জনবহুল শ্রীনগরপল্লীর এলাকার সাধারণ মানুষের বাড়ির ছাদে, কখনো বা রাস্তাতে, একদিকে হেলেও রয়েছে জলাধার। সব মিলিয়ে এখন জলাধার ভেঙে পড়ার আতঙ্কে রাতের ঘুম উড়েছে দুর্গাপুরের ৫৪ ফুট সংলগ্ন কুড়ি নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীনগরপল্লী এলাকার বাসিন্দাদের। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব বলছেন, জলাধারকে দেখিয়ে কাটমানির পয়সা তো তৃণমূল নেতাদের পকেটে ঢুকে গেছে, এরপর মানুষ দুর্ভোগে পড়ুক বিপদে পড়ুক তাতে নেতাদের কি আসে যায়। সব মিলিয়ে দুর্গাপুর নগর নিগমের কুড়ি নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীনগরপল্লী এলাকায় থাকা এই বিশালাকার জলাধার আজ মানুষের কাছে আতঙ্কের কারণ হয়ে বসে রয়েছে।