দুর্গাপুর, ১ জুলাই: শাল,পিয়াল,বট,অশ্বথের জঙ্গলে পশ্চিমবঙ্গের রুপকার পশ্চিমবঙ্গের প্রয়াত ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ডা: বিধান চন্দ্র রায়ের মানসপুত্র শিল্পশহর দুর্গাপুরের আত্মপ্রকাশ। আজ ১ লা জুলাই দুর্গাপুর শহরকে গড়ে তোলার মূল কারিগর ডা: বিধান চন্দ্র রায়ের জন্মও মৃত্যুদিবস।ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায়ের জন্ম ও মৃত্যু দিবস তারই নিজের হাতে গড়া দুর্গাপুর শহরের আবাল বৃদ্ধ বণিতারা বিভিন্ন আরম্বরপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালন করে আসছেন। কিন্তু এত কিছুর মাঝেও এক বেদনাদায়ক ছবি ধরা পড়ল নিউজহান্টের ক্যামেরায়।দুর্গাপুরের পলাশডিহায় চরম অবহেলা আর উপেক্ষার সাথে রয়েছে ডা: বিধান চন্দ্র রায়ের পুর্নাবয়ব।ভেঙে গেছে মার্বেল টাইলস দিয়ে সাজানো চারিপাশ।আগাছা গজিয়েছে মুর্তির পাদদেশে।
দুর্গাপুরের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত পলাশডিহায় মূল রাস্তার উপরেই সু-সজ্জিতভাবেই একসময় বসানো হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের রূপকার তথা শিল্প শহর দুর্গাপুরের প্রাণপুরুষ ডক্টর বিধান চন্দ্র রায়ের পুর্নাবয়ব ।মূর্তিটি আজও একই ভাবে দাড়িয়ে,শুধু নেই রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা ।এই পুর্নাবয়বের কোনো কোনো জায়গার রং ফিকে হয়ে গেছে আবার কোথাও মাথার উপরে থাকা ছাউনির কংক্রিটের প্রলেপ ভেঙে পড়ছে । এমনকি পুর্নাবয়ব বসানো স্থলের কোথাও দেখা মিলল না ডক্টর বিধান রায়ের নামের ফলকও ।কিন্তু তার মাঝেও দেখা গেল এক অনন্য দৃষ্টান্ত ।
১ লা জুলাই আধুনিক পশিমবঙ্গের রূপকার,প্রখ্যাত চিকিৎসক ডক্টর বিধান চন্দ্র রায়ের জন্ম জয়ন্তী ও প্রয়াণ দিবস ।আর এই উপলক্ষেই পলাশডিহার “ডক্টর বি সি রায় পঞ্চাশ ঊর্ধ্ব ওয়েলফেয়ার সোসাইটির “ পক্ষ থেকে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ নিবেদন করা হয় ।
পঞ্চাশ উর্দ্ধ এই সোসাইটির পক্ষ থেকে তারা জানান প্রতি বছর তারা এই দিনটি পালন করেন এবং এই বিশেষ দিনে রক্তদান শিবিরেরও আয়োজন করা হয় ।তারা নিজেদের সামর্থ অনুযায়ী যেটুকু পারেন এই মূর্তিটিকে ক্ষয় হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন । তারা আরও জানান তারা বহুবার বিদায়ী সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন এই পুর্নাবয়ব ও তার আশপাশের এলাকাটির সৌন্দর্যায়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য, কিন্তু মেলেনি কোনও সহযোগিতা ।বর্তমানে তারা নতুন সরকারের কাছে বিষয়টি জানিয়েছেন ও তার সঙ্গে পলাশডিহার মূল রাস্তাটি ডক্টর বিধান চন্দ্র রায়ের নামে নামাঙ্কিত করার জন্য আবেদনও করেছেন বলে জানান তারা ।