তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের কার্যালয়ে আড়াইশো সরকারি ত্রিপল, বেরোলো সরকারি মাছের খাবার ও ব্লিচিং, তৃণমূল নেতার কপালে ডিম ফাটালো, উত্তেজনা গোপালপুরে
নিউজহান্ট এডমিন
প্রধান সম্পাদক
বিকাল ৪:৩৩
২৭৪
২ মিনিট পড়ুন
শেয়ার:
ছবি: তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের কার্যালয়ে আড়াইশো সরকারি ত্রিপল, বেরোলো সরকারি মাছের খাবার ও ব্লিচিং, তৃণমূল নেতার কপালে ডিম ফাটালো, উত্তেজনা গোপালপুরে (প্রতীকী ছবি)
দুর্গাপুর: তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের দলীয় কার্যালয়ে মিলল আড়াইশো বিশ্ববাংলা লোগোযুক্ত ত্রিপল, বেরোলো ব্লিচিং পাউডার। এছাড়াও বেরোলো বস্তা বস্তা সরকারি মাছের খাবার। তদন্তে পুলিশ। সরকারি সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের সদস্য শিবদাস মণ্ডলের দখলে থাকা একটি দলীয় কার্যালয় থেকে উদ্ধার হয়েছে বিশ্ববাংলা লোগোযুক্ত প্রায় ২০০র বেশি সরকারি ত্রিপল। ক্ষুব্ধ জনতা ওই অঞ্চলের আরও এক তৃণমূল নেতা মানষ দত্তকে বাড়ি থেকে বের করে তার মাথায়,কপালে ডিম ফাটালো ।
বিজ্ঞাপন
বুধবার দুপুরে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা ওই কার্যালয় খুলতেই ভিতরে স্তূপ করে রাখা ত্রিপলগুলি দেখতে পান। ভেতরে শুধু ত্রিপল ছিল না ছিল সরকারি মাছের বস্তা বস্তা খাবার এছাড়াও রয়েছে সরকারি ব্লিচিং। তারপরে এলাকার মানুষজন ভিড় জমান।কীভাবে সেখানে এল এবং সেগুলি সরকারি ত্রাণসামগ্রী কি না, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। এলাকার মানুষেরও বিজেপির অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই শিবদাস মণ্ডল এলাকায় প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত। বিরোধীদের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে জলা জমি দখল করে দলীয় কার্যালয় নির্মাণের অভিযোগও রয়েছে। এর সাথে মদত রয়েছে প্রধান শ্রীনন্দা রায় মহান্তি ও উপপ্রধান গণেশ মন্ডলের। পাশাপাশি কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হওয়া নিয়েও বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন উঠেছে। কর্মী-সমর্থকদের দাবি, ওই কার্যালয়ের দরজা খুলতেই চোখে পড়ে বিপুল পরিমাণ বিশ্ববাংলা লোগোযুক্ত সরকারি ত্রিপল। তাদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি ত্রাণসামগ্রী দলীয় কার্যালয়ে মজুত করে রাখা হয়েছিল। শুধু ত্রিপলই নয়, আরও কিছু সরকারি সামগ্রী থাকার অভিযোগও তুলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। ঘটনার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ভিড় জমে যায় এবং ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকার বিজেপির সদস্য সংগ্রাম মুখোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, “এই শিবদাস মণ্ডল শুধু ত্রিপল নয়, সরকারি অনেক সম্পত্তিই লুট করেছে। আজ সেই সব একে একে কার্যালয় থেকে বেরিয়ে আসছে। আমরা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি। এই ধরনের পা থেকে মাথা পর্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক। গ্রেপ্তার করতে হবে।”