দুর্গাপুর, ৩১ অগাষ্ট: আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে আসানসোল উত্তর থানা এলাকা থেকে একটি মারুতি আর্টিগা তল্লাশি চালিয়ে ৬০০ গ্রাম ব্রাউন সুগার করার পাশাপাশি দুজনকে গ্রেফতার করে। কয়েকদিন আগে একইভাবে গোয়েন্দা দপ্তর ব্রাউন সুগার আটক করেছিল। শিল্পাঞ্চল আসানসোল ও দুর্গাপুরের যুবসমাজ ব্রাউন সুগারের নেশায় বুঁদ হয়ে পড়ছে। বাড়ছে সামাজিক অপরাধের ঘটনা। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা দপ্তরের তৎপরতায় চলতি মাসে বিপুল পরিমাণ ব্রাউন সুগারের পাশাপাশি গাঁজা বাজেয়াপ্ত হওয়ার সাথে সাথে বেশ কয়েকজন গ্রেপ্তার হয়েছে। 

বিজ্ঞাপন

 

অবৈধ মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে, আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট (DD) ৩০.০৮.২০২৬ তারিখ রাতে আরও একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবরের ভিত্তিতে, আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা দপ্তরের একটি দল আসানসোল (উত্তর) থানার অন্তর্গত লালগঞ্জ-জুবিলি রোডের রায় ময়দানের কাছে একটি মারুতি সুজুকি এর্টিগা গাড়ি আটক করে। ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং গাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে ৬০০ গ্রামেরও বেশি 'ব্রাউন সুগার' উদ্ধার করা হয়।দুর্গাপুর ও আসানসোল জুড়ে ব্রাউন সুগারের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে যুবসমাজের বড় অংশ। এই নেশার খরচ জোগাতে দুর্গাপুর ও আসানসোলের বস্তি এলাকার বেশ কিছু যুবক অপরাধমূলক কাজের সাথেও জড়িত হয়ে পড়ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে অনেক সময় নেশাগ্রস্তদের আটক করে তাদেরকে নেশা মুক্তি কেন্দ্রেও পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু তারপরেও ব্রাউন সুগার, গাঁজা দিন প্রতিদিন ভিন রাজ্য থেকে আসানসোল ও দুর্গাপুরে ঢুকে পড়ছে। দুর্গাপুরের পাণ্ডবেশ্বর ও লাউদোহা থানা এলাকায় পার্শ্ববর্তী বীরভূম জেলা থেকে ""ব্রাউন সুগার"" ও গাঁজার কারবারিরা এই নেশাদব্য সরবরাহ করছে বলে অভিযোগ উঠছে। মূলত সবথেকে বেশি নেশা সামগ্রী উত্তরবঙ্গের দিক থেকে দক্ষিণবঙ্গের দিকে এসে ঢুকছে বলেও সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে প্রশাসনিক আরো বেশি তৎপরতা প্রয়োজন। তা না হলে এই রাজ্যের বহু পরিবারের সন্তানদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে চলে যাচ্ছে দিন প্রতিদিন। যুবসমাজের একটা বড় অংশ নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ার কারণে দিন প্রতিদিন মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এমনটাও অভিমত বিশিষ্টজনদের।