দুর্গাপুর, ৩ সেপ্টেম্বর : খাদ্যসামগ্রীর গুণমান ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর,দুর্গাপুর নগর নিগম সহ বেশ কয়েকটি দপ্তর । বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দুর্গাপুরের চন্ডিদাস, প্রান্তিকা, স্টিল মার্কেটে, বেনাচিতি-সহ একাধিক এলাকায় অভিযান চালানো হয়।দুর্গাপুরের স্টিল মার্কেটে বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

কিন্তু সিংহভাগ রেস্টুরেন্টেই মিলল পচা মাংস, নষ্ট হয়ে যাওয়া ডাল, তরকারি এমনকি মেয়াদ উত্তীর্ণ মাছ। সব মিলিয়ে দুর্গাপুরের বিভিন্ন জায়গায় সিংহভাগ রেঁস্তোরা গুলিতে এভাবেই পচা,বাসি খাবারের মেলা। আর এই কয়েকদিনে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের অভিযানে এমন ছবিই ধরা পড়ল।

খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকদের পাশাপাশি অভিযানে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর থানার পুলিশ এবং দুর্গাপুর নগর নিগমের আধিকারিকরাও। বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ ও খাবারের দোকানে তল্লাশি চালিয়ে খাদ্যসামগ্রীর গুণমান, সংরক্ষণ পদ্ধতি এবং প্রয়োজনীয় লাইসেন্স খতিয়ে দেখা হয়।

অভিযানে বেশ কয়েকটি দোকানে নিয়ম না মানার অভিযোগ সামনে আসে। একাধিক দোকানে ফুড লাইসেন্স না থাকায় জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন হোটেল ও রেস্তোরাঁ থেকে পচা খাদ্যসামগ্রী এবং অনুমোদনহীন ফুড কালার বাজেয়াপ্ত করেন আধিকারিকরা।

খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিক শুভম ঘোষ বলেন,""আমরা আগেও ধারাবাহিক অভিযান চালিয়েছি।এদেরকেও আগে নোটিশ করার পরেও এরা শোনেনি অনেকেই।আগামী দিনগুলিতেও এই অভিযান জারি থাকবে।আমরা খাবার বাজেয়াপ্ত করেছি।আর ডিএমসি জরিমানা ধার্য্য করেছে।এই অভিযান লাগাতার চলবে।""

দুর্গাপুরের স্টিল মার্কেটের এক হোটেল মালিক রামেশ্বর সোম বলেন, ""আমরা কালকের মাংস ও মশলা রেখেছিলাম। চাইলে আপনারা বিল দেখতে পারেন। খরিদ্দারকে বসিয়ে রেখে তো আর রান্না করা যায় না। তাহলে প্রচুর দেরী হয়ে যাবে। সব হোটেলগুলি এই নিয়মেই চলে। ""তবে বেশিরভাগ রেঁস্তোরা ও হোটেলগুলির মাংস, তরকারি, ডাল, মাছ পচা পাওয়া যাওয়ার কারণে খাদ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে এই হোটেল ও রেঁস্তোরা গুলির বিরুদ্ধে জরিমানা ধার্য করা হয়।