দুর্গাপুর: সাত সকালেই জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র একটি দল পৌঁছে যায় দুর্গাপুরের নিউ স্টিল পার্ক এলাকায়। দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা সংলগ্ন ওই এলাকায় গোলাম জামার ওরফে গুড্ডুর বাড়িতে শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান। সূত্রের খবর, একজন মহিলা আধিকারিক-সহ মোট ছয় সদস্যের একটি এনআইএ দল এই অভিযানে রয়েছে। অভিযানের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে পুলিশও উপস্থিত রয়েছেন। তবে কি কারণে অভিযান তা স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।

বিজ্ঞাপন

প্রতিবেশী সামিম আলম জানান,"" গোলাম জামার স্ত্রী বলেছিলেন যে গুড্ডু ভিনদেশে মালয়েশিয়াতে ছয় মাস ছিল।ও টায়ারের দোকানে কাজ করত।খুব একটা ভালো কাজ হত না।ওর বাড়ি ছত্তিশগড়ে বলেও আমরা শুনেছি। এলাকার মানুষের সাথে সেভাবে তার যোগাযোগ ছিল না।""সূত্র মারফত পাওয়া খবর অনুযায়ী ছত্রিশগড়ের কোন একটি নাশকতামূলক ঘটনার সাথে গোলাম জামার নাম জড়িয়ে ছিল। এছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ঠিকা কর্মী সরবরাহের নামে হিউম্যান ট্রাফিকিং এর সাথে গোলাম জামার ওতপ্রোত যোগ ছিল বলেও একটি সূত্র থেকে অভিযোগ তোলা হচ্ছে। এনআইএ র প্রতিনিধি দল সোমবার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ চালায় গোলাম জামার বাড়িতে।

যে বাড়িতে গোলাম জামা পরিবার নিয়ে রয়েছে, নিউ স্টিল পার্কের সেই বাড়িতে চার বছর আগে ভাড়াতে আসে গোলাম জামা বলে জানা যাচ্ছে। অন্ডালে তার কোন নিকট আত্মীয় র টায়ার সারাই এর একটি দোকান রয়েছে বলেও জানা গেছে। কিন্তু কে এই গোলাম জামা?কেন তিনি মালয়েশিয়াতে গিয়েছিলেন? কি কাজের সাথে সে যুক্ত ছিল? সে সম্পর্কে স্পষ্ট করে কেউ কিছুই বলতে পারেনি। সালাউদ্দিন আনসারী নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ""আমরা শুনেছিলাম যে এই গোলাম জামা ছত্রিশগড়ে একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে ভুয়ো পাসপোর্ট তৈরি করেছিল।

 তার তদন্ত চলছিল বলে আমরা শুনতে পেয়েছি। ছয় মাস আগে মোবাইলের সিম চেঞ্জ করেছিল গোলাম জামা। এবং বেশ কিছুদিন সে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে ছিল। ""তাহলে কি ভুয়ো পাসপোর্ট তৈরি করে বিদেশে ঠিকা কর্মী পাঠানো এটাই ছিল গোলাম জামা এবং তাদের নেটওয়ার্কের কাজ?তদন্ত চালাচ্ছে এনআইএ আধিকারিকরা।।