তিনজন বাঙালী প্রশাসককে সরিয়ে দুর্গাপুর নগর নিগমের ডেপুটি চেয়ারপার্সন ধর্মেন্দ্র যাদবকে করতেই আন্দোলনে বাঙলাপক্ষ দুর্গাপুর, ১০ নভেম্বর : “”গুটখা নেতা ধর্মেন্দ্র যাদব দূর হাঁটো’, প্রশাসক মন্ডলের নতুন তালিকা প্রকাশ হতেই দুর্গাপুর নগর নিগমের সামনে শুরু হল বিক্ষোভ। কোন রাজনৈতিক দলের বিক্ষোভ নয়, বিক্ষোভে নামল বাংলা পক্ষ। তারা সদ্য প্রশাসক মন্ডলীর ভাইস চেয়ারম্যানের আসন পাওয়া ধর্মেন্দ্র যাদবকে তুলোধনা করেন। প্রশাসক মন্ডলীর দুই বাঙালি সদস্য রাখি তিওয়ারি এবং দীপঙ্কর, লাহা এবং অমিতাভ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে কেন বহিরাগত একজনকে ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হল সেই প্রশ্ন তোলেন তারা।

বাংলা পক্ষের জেলা সম্পাদক অক্ষয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,”গুটখাখোর নেতা ধর্মেন্দ্র যাদব সরকারি জমি দখল করে সব বিক্রি করে দিল। উনি যেই এলাকার বাসিন্দা সেইখান থেকে একটা ভোটও তিনি পাবেন না। কিন্তু সরকার বাঙালিদের সরিয়ে বহিরাগত ধর্মেন্দ্র যাদব কে সরকারি পদে বসালো। আমরা তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছি।” পাল্টা প্রশাসক মন্ডলীর ভয়েস চেয়ারম্যান ধর্মেন্দ্র যাদব বলেন,”১৩ বছর ধরে দুর্গাপুর নগর নিগমে রয়েছি।

এইরকম কথা আগে কেউ বলেনি। যারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছে তারা হয়তো আমার সম্পর্কে জানে না। তাদের মন জয় করতে পারেনি সেই জন্য হয়তো এ কথা বলছে। ওদের মন জয় করার চেষ্টা করব।””যদিও বাংলা পক্ষের পক্ষ থেকে অভিযোগ করে বলা হয় পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুই তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ এবং শত্রুঘ্ন সিনহা এবং জামুরিয়া তৃণমূল বিধায়ক হরেরাম সিং এদেরকে কেন বাংলার নেতা বানানো হলো? বাংলা পক্ষের পশ্চিম বর্ধমান জেলার সম্পাদক বলেন,””আমরা কোন রাজনৈতিক দলের দলদাস নয়। আমরা চাই বাঙালি তার নিজের জায়গায় গৌরবের সঙ্গে স্থান পাক। “”এই বিষয়ে বিজেপির বর্ধমান জেলা সহ-সভাপতি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “”বাংলা পক্ষ তৃণমূলের এবং আইপ্যাকের বি টিম।

এরা আই প্যাক এর প্রধান প্রশান্ত কিশোরের বিহারে এবং এ রাজ্যের ভবানীপুরে দুই জায়গায় ভোটার তালিকায় নাম থাকলে প্রতিবাদ করে না। এরা বিহারের সিওয়ানের বাসিন্দা চাচা ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ করেনা।এরা শাসকদলের হয়ে কাজ করে।তাই এই সমস্ত পক্ষপাতদুষ্ট সংগঠনের কাজকে আমরা সমর্থন করি না। “”





