দুর্গাপুর, ১৬ ফেব্রুয়ারী : কারোর বাড়ি থেকে, কারোর পকেট থেকে, কারোর কাছ থেকে আবার ছিনিয়ে নিয়ে মোবাইল কি করে নিয়ে পালিয়ে ছিল দুষ্কৃতিরা। আপনাদের কয়েক বছর ধরে এইরকমই অভিযোগ জমা পড়েছিল দুর্গাপুরের কোকওভেন থানায়। বেশ কয়েকজনকে সাইবার প্রতারণার কবলেও পড়তে হয়েছিল। তাঁরাও অভিযোগ দায়ের করেছিল কোকওভেন থানায়। অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয় তদন্ত। তদন্তের ভিত্তিতে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১০২টি মোবাইল উদ্ধার করে পুলিশ। সঙ্গে উদ্ধার হয় সাইবার প্রতারণায় খোয়া যাওয়া ৫৪হাজার, ৫হাজার ও ৪হাজার ৫০০টাকা উদ্ধার হয়। রবিবার কোকওভেন থানায় ‘ফিরে পাওয়া’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি দুর্গাপুর সুবীর রায় সিআই পীযূষ কান্তি লায়েক, কোকওভেন থানার ওসি মইনুল হক সহ পুলিশ কর্মীরা।

মোবাইল ফিরেতে এক মহিলা বলেন,”২০২৩ সালের শেষ দিকে দুর্গাপুর বাজার থেকে আমার মোবাইল চুরি হয়েছিল। আমি অভিযোগ করেছিলাম কোকওভেন থানায়। ভাবতেই পারিনি মোবাইল ফিরে পাবো। ২বছর পর আমি আমার মোবাইল ফিরে পেলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ পুলিশকে।” এসিপি বলেন,”মোবাইল চুরি করছে দুষ্কৃতীরা। তারপর সেই মোবাইল দিয়ে সাইবার প্রতারণা করছে তারা। এইভাবে বেড়ে চলেছে দিনের পর দিন প্রতারণা চক্র। তবে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের সমস্ত থানার পুলিশ আধিকারিকরা চূড়ান্ত তৎপরতার সাথে কাজ করছে। কোকওভেন থানার পুলিশের বড় সাফল্য। এতগুলো মোবাইল উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিয়ে নজির গড়ল। সাইবার প্রতারণার কবলে পরেও বহু টাকা গিয়েছিল কয়েকজনের। সেই টাকাও উদ্ধার করে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তবে সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে।”





